মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর, ২০২৬
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর, ২০২৬

প্ল্যাটফর্ম চালুর দাবিতে নীলফামারীতে রেললাইন অবরোধ করে আন্দোলন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬, ১২:২৭ পিএম

প্ল্যাটফর্ম চালুর দাবিতে নীলফামারীতে রেললাইন অবরোধ করে আন্দোলন

মিরজাগঞ্জ রেলস্টেশনে তিতুমীর ও বরেন্দ্র এক্সপ্রেস ট্রেনের আপ-ডাউন যাত্রাবিরতি এবং ১ নম্বর প্ল্যাটফর্ম চালুর দাবিতে নীলফামারীর ডোমার উপজেলায় ট্রেন চলাচল আটকে রেখে রেললাইন অবরোধ করেছেন স্থানীয়রা।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে মানববন্ধন কর্মসূচির অংশ হিসেবে তারা রেললাইনে অবস্থান নেন।

এ সময় চিলাহাটি থেকে খুলনাগামী রকেট মেইল ট্রেনটি আটকা পড়ে চিলাহাটিতে অবস্থান করে এবং খুলনা থেকে রুপসাগামী ট্রেনটি ডোমারেই থামিয়ে রাখা হয়।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া শাওন সরকার বলেন, এই এলাকার মানুষ ছাড়াও আশপাশের পাঁচ-ছয়টি ইউনিয়নের যাত্রীরা এ স্টেশন ব্যবহার করে যাতায়াত করি। অনেক ব্যবসায়ী এখান থেকে দূরদূরান্তে মালামাল নিয়ে যান। আমাদের প্রধান দাবি, ১ নম্বর লাইনে ট্রেন থামাতে হবে। বর্তমানে যে ট্রেনটি থামে, সেটি ২ নম্বর লাইনে দাঁড়ানোয় নিচ থেকে ঝুলে ঝুলে ট্রেনে উঠতে গিয়ে নারীসহ সব যাত্রীকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়।

আরেক অংশগ্রহণকারী আনোয়ারুল ইসলাম আনু বলেন, অনেক প্রাচীন স্টেশন হওয়া সত্ত্বেও এখানে মাত্র একটি ট্রেন থামে। সেই ট্রেনটিও ২ নম্বর লাইনে দাঁড়ায়। আমাদের একটাই দাবি—১ নম্বর প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে থাকা ১ নম্বর লাইনটি চালু করতে হবে এবং তিতুমীর, রূপসা ও বরেন্দ্র ট্রেনকে এ স্টেশনের ১ নম্বর প্ল্যাটফর্মে থামাতে হবে।

জামাল উদ্দিন নামের আরো একজন বলেন,  আমরা আমাদের বাবা-চাচাদের কাছে শুনেছি, একসময় এ স্টেশনে তিন-চারটি ট্রেন থামত। তারা এসব ট্রেনে করে কলেজে যাতায়াত করতেন। সকালে একটি ও বিকেলে একটি ট্রেন থামত। আমরা এখনো সেই সুবিধা ফিরে পাওয়ার দাবি জানাই। তিতুমীর, বরেন্দ্র ও রূপসা ট্রেনকে ১ নম্বর প্ল্যাটফর্মে থামাতে হবে। 

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, নীলফামারী জেলার অন্যতম প্রাচীন ও গুরুত্বপূর্ণ রেলস্টেশন মিরজাগঞ্জ। অথচ এখানে তিতুমীর ও বরেন্দ্র এক্সপ্রেস ট্রেনের নিয়মিত যাত্রাবিরতি না থাকায় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সাধারণ যাত্রীদের। স্টেশনটি জোড়াবাড়ী ইউনিয়নের পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী কয়েকটি ইউনিয়ন এবং পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মানুষের যাতায়াতের অন্যতম মাধ্যম। স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও দূরপাল্লায় মালামাল পরিবহনে এ স্টেশন ব্যবহার করেন।

বক্তারা বলেন, বর্তমানে স্টেশনটিতে যে ট্রেনটি থামে, সেটিও ২ নম্বর লাইনে দাঁড়ায়। ফলে নিচ থেকে উঁচুতে উঠে ট্রেনে ওঠানামা করতে গিয়ে নারী, বয়স্ক ও সাধারণ যাত্রীদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়। এ অবস্থায় ১ নম্বর লাইনে ট্রেন থামানো জরুরি।

ইউডি/কেএস
 

দৈনিক উত্তরদক্ষিণ

Advertisement
Link copied!