মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর, ২০২৬
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর, ২০২৬
ডিএসইর চেয়ারম্যান

২০২৭ সালের মধ্যে ১০টি ভালো কোম্পানিকে ডাইরেক্ট লিস্টিংয়ে আনার লক্ষ্য

উত্তরদক্ষিণ ডেস্ক

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬, ০২:০০ পিএম

২০২৭ সালের মধ্যে ১০টি ভালো কোম্পানিকে ডাইরেক্ট লিস্টিংয়ে আনার লক্ষ্য

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ

সরাসরি তালিকাভুক্তির (ডাইরেক্ট লিস্টিং) মাধ্যমে ২০২৭ সালের মধ্যে অন্তত ১০টি ভালো কোম্পানিকে পুঁজিবাজারে আনার লক্ষ্য নিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। এর মধ্যে সরকারি, বহুজাতিক ও দেশীয় কোম্পানি থাকতে পারে। পুঁজিবাজারে নতুন কোম্পানি তালিকাভুক্তির সংকট কাটাতে ডাইরেক্ট লিস্টিংয়ের জন্য নতুন বিধিমালার খসড়াও করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর নিকুঞ্জে ডিএসইর কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন ডিএসইর চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম।

মমিনুল ইসলাম বলেন, দুই বছরের বেশি সময় ধরে ভালো কোনো আইপিও বাজারে আসেনি। নতুন কোম্পানির তালিকাভুক্তিও হয়নি। এই পরিস্থিতিতে সরাসরি তালিকাভুক্তির জন্য নতুন বিধিমালার খসড়া করা হয়েছে। নতুন বিধিমালা কার্যকর হলে সরকারি, বহুজাতিক ও দেশীয় কোম্পানির পুঁজিবাজারে আসার সুযোগ তৈরি হবে।

তিনি বলেন, আইপিও প্রক্রিয়া সহজ করার জন্যও নতুন বিধিমালা প্রণয়নের কাজ চলছে। আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে এটি জনমত যাচাইয়ের জন্য প্রকাশ করা হতে পারে।

ডিএসইর চেয়ারম্যান বলেন, আইপিও ও লিস্টিংয়ের ক্ষেত্রে স্টক এক্সচেঞ্জগুলোকে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তা যথাযথভাবে পালনের জন্য ডিএসইর সক্ষমতা বাড়ানোর কাজ চলছে। বন্ড তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে লিস্টিং ফি উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো হয়েছে। এ ছাড়া ২০২৭ সালের মার্চের মধ্যে ডাইরেক্ট লিস্টিং বা আইপিওর জন্য আবেদন করলে লিস্টিং ফিতে ৫০ শতাংশ ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

পুঁজিবাজারে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানোর উদ্যোগের কথাও জানান ডিএসইর চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, সরকার ইতোমধ্যে বিদেশি প্রতিষ্ঠান ও ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংককে বাংলাদেশে আনার উদ্যোগ নিয়েছে। আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকগুলো বাংলাদেশে এলে দেশের করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর পুঁজিবাজারে আসার পথ আরও সহজ হতে পারে।

তিনি বলেন, দেশের সামষ্টিক অর্থনীতিতে চাপ থাকলেও পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্থিতিশীল হচ্ছে। এর ইতিবাচক প্রভাব পুঁজিবাজারেও দেখা যাচ্ছে। নতুন সিকিউরিটি বাজারে আনা এবং বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হলে বাজারের স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি গতি ধরে রাখা এবং উন্নত করা সম্ভব হবে।

ডিএসইর চেয়ারম্যান বলেন, পুঁজিবাজারকে দক্ষ ও স্বচ্ছ করতে হলে স্টক এক্সচেঞ্জ, সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ (সিডিবিএল) এবং সেন্ট্রাল কাউন্টারপার্টি বাংলাদেশ (সিসিবি)–সহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। এ বিষয়ে ডিএসইতে একাধিক বৈঠক হয়েছে এবং কাজ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে সূচনা বক্তব্য দেন ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) নুজহাত আনোয়ার। আরও বক্তব্য দেন ডিএসইর বিনিয়োগকারী সুরক্ষা তহবিলের (আইপিএফ) চেয়ারম্যান নাসরিন বেগম।

ইউডি/রেজা

দৈনিক উত্তরদক্ষিণ

Advertisement
Link copied!