মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর, ২০২৬
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর, ২০২৬

বড়শিতে ধরা পড়ল সাড়ে ১৩ কেজি ওজনের চিতল মাছ

উত্তরদক্ষিণ ডেস্ক

প্রকাশিত: অক্টোবর ১, ২০২৬, ১১:০১ এএম

বড়শিতে ধরা পড়ল সাড়ে ১৩ কেজি ওজনের চিতল মাছ

নাটোরের নলডাঙ্গায় বারনই নদীতে তলটানা বড়শিতে ১৩ কেজি ৭০০ গ্রাম ওজনের একটি বিশাল চিতল মাছ ধরা পড়েছে। পরে মাছটি প্রতি কেজি এক হাজার টাকা দরে ১৩ হাজার ৭০০ টাকায় বিক্রি করা হয়।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার সোনাপাতিল বাজারসংলগ্ন বারনই নদীতে মাছটি ধরা পড়ে। বিশাল আকৃতির মাছটি দেখতে নদীর পাড়ে শিশু-কিশোরসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষের ভিড় জমে।

স্থানীয় জেলেরা জানান, প্রতিদিনের মতো বুধবার সন্ধ্যায় নৌকা নিয়ে তলটানা বড়শি পরীক্ষা করছিলেন তারা। এ সময় একটি বড়শিতে চিতল মাছটি আটকা পড়ে থাকতে দেখেন। পরে মাছটি নদী থেকে তুলে আনা হয়।

মাছটি ধরার খবর ছড়িয়ে পড়লে নদীর পাড়ে উৎসুক মানুষের ভিড় বাড়তে থাকে। পরে বিক্রির জন্য মাছটি সোনাপাতিল চারমাথা মোড়ে নেওয়া হয়। সেখানে দর-কষাকষির পর প্রতি কেজি এক হাজার টাকা দরে মাছটি ১৩ হাজার ৭০০ টাকায় বিক্রি করা হয়।

মাছটির এক ক্রেতা রাব্বি বলেন, বাঙ্গালখলসি গ্রামের হলদারপাড়ার এক জেলে মাছটি ধরেছেন। তাকে দেখলে চিনতে পারবেন, তবে তার নাম জানেন না। মাছটি ধরার পর তিনি দ্রুত বিক্রি করে চলে যান।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় জেলে আলমগীর কবির বলেন, তলটানা বড়শি জেলেদের প্রচলিত একটি মাছ ধরার কৌশল। মোটা নাইলনের সুতার সঙ্গে নির্দিষ্ট দূরত্ব পরপর বড়শি বাঁধা হয়। ইট বা পাথর দিয়ে সুতাটি নদীর তলদেশে ডুবিয়ে রাখা হয়। বড়শিতে ছোট মাছ, ব্যাঙ বা অন্য খাবার টোপ হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

তিনি বলেন, টোপ খেতে এসে চিতল, বোয়াল, রুই ও কাতলার মতো বড় মাছ বড়শিতে আটকা পড়ে। জেলেরা নির্দিষ্ট সময় পরপর নৌকা নিয়ে বড়শি পরীক্ষা করেন। এই পদ্ধতিতেই মাছটি ধরা পড়েছে।

নলডাঙ্গা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আবু সাঈদের মুঠোফোনে কল করা হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।

ইউডি/কেএস

দৈনিক উত্তরদক্ষিণ

Advertisement
Link copied!