UttorDokkhin
প্রকাশিত: এপ্রিল ১৬, ২০২০, ০৯:৩৬ এএম
উত্তরদক্ষিণ ১৬ এপ্রিল ২০২০ । ০৮ঃ৩১
শেখফারুক ।। করোনার কবলে পড়ে গোটা বিশ্ব ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ছে। জীবন যাপন, ব্যবসা বাণিজ্য সব যেন থমকে দাড়িয়েছে। মানুষের বিনোদন, ভ্রমণ সবখানে এর প্রভাব পড়েছে। বিশ্ব জুড়ে করোনার আতঙ্কে মানুষ ঘরবন্দি। এই অবস্থায় বিশ্বের নানান প্রান্ত থেকে এমন সব ঘটনার কথা জানা যাচ্ছে যেগুলো সচারাচর ঘটে না। বন্যপ্রাণীদের জীবনও যেন পালটে যাচ্ছে। এমন সব ওরা হাজির হচ্ছে যে সব আগে এড়িয়ে চলত। তেমনই ঘটনা দেখা যায় গত মার্চের শেষ সপ্তাহে কক্সবাজারের পর্যটক-শুন্য সমুদ্র সৈকতে।

করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধে কক্সবাজারে পর্যটক কিংবা স্থানীয়দের ভ্রমণের ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এ কারণে মানুষের কোলাহল আর পরিবাশ দুষণের মাত্গরা কিছুটা কমে আসে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতে। এরমধ্যে সৈকতের কলাতলী পয়েন্ট সহ কয়েকটি স্পটে দেখা মেলে বিরল ডলফিনের। দল বাধে ওরা সাগরের নীল জলে খেলা করছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, ১০/১২টি ডলফিনের দলটি সাগর জলে লাফিয়ে লাফিয়ে খেলছিল। যদিও কয়েকদিন পরে ডলফিনগুলোকে মৃত পাওয়া যায়। সাগরে ওদের মৃত দেহ ভাসছিলো। এই দুর্ভাগ্যজনক ঘটনার কারণ এখনও অজানা। অনেকের ধারণা, লোভী ফিন শিকারী হা জেলেদের কারণে ডলফিনগুলোর ওই করুণ পরিণতি হতে পারে।
এমন আরেকটি ঘটনা জানা গেছে মেক্সিকোতে। সেখানে অবশ্য ডলফিন নয়, কুমিরের দল সৈকতের 'দখল' নিয়েছে। এ খবর জানিয়েছে 'মেক্সিকো নিউজ ডেইলি' নামের একটি সংবাদপত্র। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মেক্সিকোর অক্সাকা নামের সৈকতে প্রায় কয়েক দশক পর কুমিরের আনাগোনা শুরু হয়েছে।

ওই সৈকতে্র ধারে লা-ভেন্টানিলা নামে একটি ইকোট্যুরিজম রিসোর্ট রয়েছে। সেখানে প্রচুর কুমিরের বসবাস। কিন্তু তারা মানুষের সাহচর্য এড়িয়েই চলত, তাই সৈকতের ধারে কাছে ওদের দেখা মিলতো না। করোনা জনিত লকডাউনের কারণে সৈকতীখন পর্যটক-শুন্য।
পুরো ফাঁকা সৈকত এখনকুমিরের স্বাধীন বিচরন ভুমি। পুরোটাই কুমিরদের দখলে চলে গিয়েছে। সৈকতে শুয়ে আরাম করছে, শরীর এলিয়ে রোদ পোহাচ্ছে, বিশ্রাম নিচ্ছে!