মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর, ২০২৬
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর, ২০২৬

নতুন চরিত্রে নিজেকে ভাঙছেন মধুমিতা

উত্তরদক্ষিণ ডেস্ক

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬, ১২:০৪ পিএম

নতুন চরিত্রে নিজেকে ভাঙছেন মধুমিতা

মধুমিতা সরকার । ছবি : অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে

দীর্ঘ ক্যারিয়ারে নানা ধরনের চরিত্রে অভিনয় করলেও এবার নিজেকে আরও ভিন্নভাবে উপস্থাপন করতে চান অভিনেত্রী মধুমিতা সরকার। প্রচলিত চরিত্রের গণ্ডি পেরিয়ে নতুন ধরনের গল্প ও জটিল চরিত্রে কাজের দিকে মনোযোগ দিচ্ছেন তিনি। এরই ধারাবাহিকতায় ‘অটবি’ সিনেমায় দর্শকের সামনে একেবারেই ভিন্ন এক মধুমিতাকে দেখা যাবে।

‘অটবি’তে নিজের চরিত্র প্রসঙ্গে মধুমিতা জানান, এতদিন দর্শক তাকে যে ধরনের চরিত্রে দেখেছেন, নতুন সিনেমাটিতে তার সঙ্গে মিল খুব একটা থাকবে না। চরিত্রটির মধ্যে থাকা মনস্তাত্ত্বিক জটিলতাই শুরু থেকে তাকে আকৃষ্ট করেছে।

অভিনেত্রীর ভাষ্য, একজন পরিচালক তাকে এমন একটি জটিল চরিত্রে কল্পনা করেছেন-এটিই তার কাছে বিশেষ ব্যাপার। শিল্পী হিসেবে একই ধরনের কাজের মধ্যে নিজেকে আটকে রাখতে চান না তিনি।

কাজের পাশাপাশি ব্যক্তিজীবনেও নিজের অগ্রাধিকারে পরিবর্তন এসেছে বলে জানান মধুমিতা। ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে কাজের ব্যস্ততায় পরিবার ও ব্যক্তিগত জীবনের জন্য পর্যাপ্ত সময় দিতে পারেননি। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জীবনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোকে নতুনভাবে উপলব্ধি করছেন তিনি।

মধুমিতা বলেন, তার বাবা-মা সবসময়ই জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। শুধু পেশাগত সাফল্যই জীবনের সবকিছু নয়; প্রিয়জন ও পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়েও নিজের মতামত জানিয়েছেন এই অভিনেত্রী। তার মতে, একটি সম্পর্কে দুজন মানুষের মতের অমিল থাকতেই পারে। তবে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও একে অপরের সঙ্গে মানিয়ে চলার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।

‘অটবি’তে অভিনয়ের অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে মধুমিতা জানান, চরিত্রটির শারীরিক ও মানসিক অভিব্যক্তির মধ্যে ভারসাম্য তৈরি করাই ছিল তার জন্য অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। চরিত্রটির ভিন্নধর্মী বৈশিষ্ট্য ফুটিয়ে তুলতে চোখের অভিব্যক্তি ও শরীরের ভাষাতেও পরিবর্তন আনতে হয়েছে তাকে।

সিনেমাটির দৃশ্য ও পরিস্থিতির সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিতে অভিনয়ের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন বলে জানান তিনি। দীর্ঘ প্রায় ১৭-১৮ বছরের ক্যারিয়ারে দর্শকদের ভালোবাসাকেই নিজের সবচেয়ে বড় অর্জন হিসেবে দেখেন এই অভিনেত্রী।

তবে শুধু প্রশংসা নয়, দর্শকদের গঠনমূলক সমালোচনাকেও গুরুত্ব দিতে চান মধুমিতা। তার মতে, কোনো কাজে ভুল থাকলে দর্শকদের সেটি ধরিয়ে দেওয়া উচিত। কারণ দর্শক তার কাজ পছন্দ করলে ভালোবাসা যেমন প্রাপ্য, তেমনি ভুল হলে সমালোচনাও প্রত্যাশিত।

মধুমিতা বলেন, কখনো কিছুটা আড়ালে থাকলে দর্শকদের মধ্যে যখন প্রশ্ন ওঠে-‘মধুমিতা কোথায়?’-তখন সেটিকেই নিজের জন্য বড় প্রাপ্তি বলে মনে হয়। দর্শকদের এই আগ্রহ ও সম্পৃক্ততাকেই তিনি সবচেয়ে অর্থবহ মনে করেন।

 এস/আর 
 

দৈনিক উত্তরদক্ষিণ

Advertisement
Link copied!