মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর, ২০২৬
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর, ২০২৬

পুঁজিবাজার থেকে অর্থ নিতে ডিবিএল গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠানের আবেদন

উত্তরদক্ষিণ ডেস্ক

প্রকাশিত: অক্টোবর ২৮, ২০২৬, ০৬:৪৮ পিএম

পুঁজিবাজার থেকে অর্থ নিতে ডিবিএল গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠানের আবেদন

পুঁজিবাজার থেকে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে ৭৮ কোটি টাকা সংগ্রহের জন্য বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কাছে আবেদন করেছে ডিবিএল গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান পার্কওয়ে প্যাকেজিং অ্যান্ড প্রিন্টিং পিএলসি।

ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে কোম্পানিটি ১ কোটি ৯৫ লাখ সাধারণ শেয়ার ইস্যু করে এ অর্থ সংগ্রহ করতে চায়।

বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে, গত ২৫ অক্টোবর আইপিওর অনুমোদন চেয়ে আবেদন জমা দিয়েছে পার্কওয়ে প্যাকেজিং। প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রতিটি শেয়ারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪০ টাকা। এর মধ্যে ১০ টাকা অভিহিত মূল্য এবং ৩০ টাকা অধিমূল্য বা প্রিমিয়াম। কোম্পানিটির প্রস্তাবিত আইপিওর জন্য খসড়া প্রসপেক্টাসসহ প্রয়োজনীয় নথিপত্রও নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছে জমা দেওয়া হয়েছে।

কোম্পানিটি আইপিও থেকে সংগৃহীত পুরো অর্থ সহযোগী প্রতিষ্ঠান নেক্সট প্যাক লিমিটেডে ইকুইটি বিনিয়োগ হিসেবে ব্যবহার করতে চায়। এই অর্থ দিয়ে একটি আধুনিক ও সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় ঢেউতোলা কাগজের কার্টন তৈরির কারখানা স্থাপন করা হবে। নতুন কারখানাটি পৃথক স্থানে স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রস্তাবিত কারখানাটি চালু হলে প্যাকেজিং পণ্য উৎপাদনের সক্ষমতা বাড়বে বলে আশা করছে কোম্পানিটি। পাশাপাশি উৎপাদনপ্রক্রিয়ার দক্ষতা বৃদ্ধি, সরবরাহব্যবস্থা শক্তিশালী করা এবং ব্যবসা সম্প্রসারণেও ভূমিকা রাখবে নতুন এই বিনিয়োগ। কারখানাটিতে উৎপাদিত পণ্যের প্রধান ক্রেতা হবে দেশের তৈরি পোশাকশিল্প (আরএমজি) খাত। এ ছাড়া প্যাকেজিং পণ্যের প্রয়োজন রয়েছে, এমন অন্যান্য ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানেও এসব পণ্য সরবরাহের পরিকল্পনা রয়েছে।

পার্কওয়ে প্যাকেজিং অ্যান্ড প্রিন্টিং পিএলসি দেশের প্যাকেজিং ও প্রিন্টিং খাতে ব্যবসা করছে। দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানটি তৈরি পোশাকশিল্পের জন্য বিভিন্ন ধরনের প্যাকেজিং উপকরণ সরবরাহ করে আসছে। এ খাতে চাহিদা বাড়ার সঙ্গে তাল মিলিয়ে উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ব্যবসার পরিসর বাড়ানোর লক্ষ্যেই নতুন কারখানায় বিনিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আইপিও আবেদনের নথি অনুযায়ী, ইস্যু ব্যবস্থাপকের সঙ্গে পরামর্শ করে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (পাবলিক অফার অব ইকুইটি সিকিউরিটিজ) বিধিমালা, ২০২৫ অনুসরণ করে শেয়ারের প্রস্তাবিত মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হলে দেশের তালিকাভুক্ত কোম্পানির তালিকায় প্যাকেজিং ও প্রিন্টিং খাতের প্রতিনিধিত্ব আরও বাড়তে পারে। একই সঙ্গে ডিবিএল গ্রুপের আরেকটি প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগের সুযোগ পাবেন পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীরা।

তবে আইপিওর মাধ্যমে শেয়ার ইস্যু, অর্থ সংগ্রহ এবং পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির পুরো প্রক্রিয়াই বিএসইসির যাচাই-বাছাই ও চূড়ান্ত অনুমোদনের ওপর নির্ভর করছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন পাওয়ার আগে প্রস্তাবিত আইপিওকে চূড়ান্ত বলে বিবেচনা করার সুযোগ নেই।

ইউডি/রেজা

দৈনিক উত্তরদক্ষিণ

Advertisement
Link copied!