প্রকাশিত: অক্টোবর ৩০, ২০২৬, ০৮:৫৪ পিএম
হাজারো মানুষের রক্তের বিনিময়ে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে একটি স্বৈরাচারী শাসনের অবসান হয়েছে কিন্তু দেশে এখন নতুন স্বৈরাচারের উত্থান দেখা যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, পতিত স্বৈরাচার ও নব্য স্বৈরাচার- দুই শক্তিকেই পরাজিত করা হবে। ব্যর্থতার দায় নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও জ্বালানিমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে। অন্যথায় আন্দোলনের কর্মসূচি আরও বিস্তৃত করা হবে।
শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর শাহবাগে চার দফা দাবিতে আয়োজিত গণবিক্ষোভ সমাবেশে এসব কথা বলেন নাহিদ ইসলাম।
সমাবেশে নাহিদ ইসলাম বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিতে সাধারণ মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। জনগণের নিরাপত্তা দিতে সরকার ব্যর্থ হয়েছে। এ ব্যর্থতার দায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের ওপর সবচেয়ে বেশি বর্তায়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালনের পরিবর্তে তিনি সংবিধান সংশোধনের কাজে ব্যস্ত রয়েছেন।
এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা ও জুলাই সনদের ভিত্তিতে অনুষ্ঠিত গণভোটের অন্যতম প্রতিশ্রুতি ছিল সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন। কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতি উপেক্ষা করে একতরফাভাবে সংবিধান সংশোধন কমিটি গঠন করা হয়েছে। অবিলম্বে এ কমিটি বাতিল করে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করতে হবে। একই সঙ্গে জ্বালানিমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন তিনি।
নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন, নির্বাচনী ইশতেহার, ৩১ দফা ও জুলাই সনদে দেওয়া প্রতিশ্রুতি থেকে সরে যাচ্ছে বিএনপি। তারেক রহমানের দেশ পরিচালনার সুস্পষ্ট পরিকল্পনা নেই। সরকার দুর্নীতি, লুটপাট, চাঁদাবাজি ও দখলদারত্ব প্রতিষ্ঠার পথে এগোচ্ছে।
ডিসেম্বরে আওয়ামী লীগের ফিরে আসার প্রসঙ্গ তুলে নাহিদ ইসলাম বলেন, বর্তমান সরকার তাদের মোকাবিলা করতে পারবে না। এ পরিস্থিতিতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শক্তি ও তরুণদের আবারও ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
ইউডি/এবি


