UttorDokkhin
প্রকাশিত: মার্চ ১৪, ২০২১, ০২:১৫ পিএম
মুদ্রিত সংস্করণ | উত্তরদক্ষিণ
রবিবার, ১৪ মার্চ, ২০২১ | প্রকাশ: ০০:০১ | আপডেট: ১৩:৪১
শেখফারুক ::
বাংলাদেশ এখন আমেরিকার জন্য অনুকরণীয় মডেল বা আদর্শ হতে পারে এমন কথা শুনলে অবাক হওয়ার অবস্থা। কেউ কেউ হয়তঃ বলবেন, চাপাবাজির একটা সীমা থাকা উচিত। একথা বলে বক্তার কপালে পাগলের তকমাও জুটতে পারে। কিন্তু এক্ষেত্রে তেমন ঘটেনি। বরং অনেকের মত আমারও গর্বে বুক ফুলে উঠেছে। এ বিষয়ে কথা বলেছেন দু' দু'বার পুলিৎজার পুরস্কার বিজয়ী সাংবাদিক ও বিখ্যাত কলামিস্ট নিকোলাস ক্রিস্টফ। তিনি 'নিউইয়র্ক টাইমসে' কলাম লিখে সুস্পষ্ট ব্যাখা দিয়েছেন, তথ্য দিয়েছেন, যুক্তি দিয়েছেন। আমেরিকার বিখ্যাত খবরের কাগজ 'নিউইয়র্ক টাইমসে' তার কলাম ছাপা হয়েছে। বাংলাদেশের অব্যাহত অগ্রযাত্রা ও সাফল্য নিয়ে লেখা ওই কলামে বাংলাদেশের দিকে দৃষ্টি দেয়ার কথা বলেছেন আমেরিকার বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনকে।
নিকোলাস ক্রিস্টফের লেখাটি প্রথমে পড়ি গত ১০ মার্চ, 'নিউ ইয়র্ক টাইমসে'র অনলাইন সংস্করণে। অনলাইনে ক্রিস্টফের লেখার শিরোনাম ছিল ‘হোয়াট ক্যান বাইডেনস প্ল্যান ডু ফর পোভার্টি? লুক টু বাংলাদেশ’। দু'দিন পরে একই লেখা ভিন্ন শিরোনামে 'নিউ ইয়র্ক টাইমসে'র প্রিন্ট সংস্করণে আবার ছাপা হয়। ১২ মার্চের প্রকাশিত 'নিউ ইয়র্ক টাইমসে'র আন্তর্জাতিক সংস্করণে ১ম পৃষ্ঠার ১ম কলামে যথেষ্ঠ গুরুত্ব দিয়ে ‘ইউএস পোভার্টি অ্যান্ড এ লুক টু বাংলাদেশ’ শিরোনামে লেখাটি প্রকাশ করেছে।
বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীতে এটা যেন এক অন্য রকম স্বীকৃতি। আমেরিকার সাংবাদিক নিকোলাস ক্রিস্টফ সেদেশের বিখ্যাত পত্রিকায় লিখে আমেরিকার জন্য অনুকরণীয় ও অনুসরনযোগ্য মডেল হিসেবে বাংলাদেশকে উপস্থাপন করা বিশেষ অর্থ বহন করে।
আমেরিকা নামের দেশটি এক সময় বাংলাদেশকে 'তলাবিহীন ঝুড়ি' হিসেবে আখ্যায়িত করেছিল। হেনরি কিসিঞ্জারের সেই কথা এখনও বাংলার মানুষের মনকে ক্ষতবিক্ষত করে দেয়।
পুলিৎজার বিজয়ী সাংবাদিক ও কলামিস্ট নিকোলাস ক্রিস্টফ বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছরে পদার্পনে এদেশের অর্জনগুলোকে তুলে ধরে ব্যাপক প্রশংসা করেছেন। নিকোলাস ক্রিস্টফের দেশ (আমেরিকা) বাংলাদেশকে 'তলাবিহীন ঝুড়ি' হিসেবে অভিহিত করেছিল। শুধু তাই নয়, ১৯৯১ সালে এদেশের উপকূলে প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়-পরবর্তী খবর সংগ্রহ করতে দেশে এসেছিলেন স্বয়ং নিকোলাস ক্রিস্টফ। সেই নিউইয়র্ক টাইমসে তিনি কলাম লিখেছিলেন, বাংলাদেশ দুর্ভাগা দেশ। সেই ঘূর্ণিঝড়ে ১ লাখের বেশি মানুষ মারা যায়।

অবশ্য নিজের সেই 'মূল্যায়ন' ভুল প্রমাণিত হওয়াতে নিকোলাস ক্রিস্টফ এখন খুশি। বাংলাদেশ অসাধারণ উন্নতিতে তিনি মুগ্ধ।
নিকোলাস ক্রিস্টফ লিখেছেন, বিশ্বের সর্ববৃহৎ অর্থনীতির দেশ আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রেও শিশু-দারিদ্র্যের হার স্তম্ভিত করার মতো। সেদেশের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ১ দশমিক ৯ ট্রিলিয়ন ডলারের প্রণোদনা/ত্রাণ প্যাকেজ সম্প্রতি আমেরিকার আইনসভায় চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে। ওই প্যাকেজে আমেরিকার শিশুদারিদ্র্য নিরসনে যে পরিকল্পনার কথা বলা হয়েছে সেটার প্রতি সমর্থন জানিয়ে বাংলাদেশকে এ ক্ষেত্রে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেছেন নিকোলাস ক্রিস্টফ।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেনের প্রণোদনা প্যাকেজ নিয়ে ক্রিস্টফ বলেছেন, ওই প্যাকেজে এমন কিছু বিধান রাখা হয়েছে যার কারণে দ্রুত শিশু-দারিদ্র্য হ্রাস পাওয়া উচিত। কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের করা একটি গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, প্রণোদনা প্যাকেজে নেওয়া এসব পদক্ষেপ যদি স্থায়ীরূপ পায় তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের শিশু-দারিদ্র্য অর্ধেকে নেমে আসবে। প্রেসিডেন্ট বাইডেনের ঐতিহাসিক এই পদক্ষেপ কার্যকর হলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রবীণদের সামাজিক নিরাপত্তার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্ট যা করেছিলেন এটা হবে তার সঙ্গে তুলনীয়।
বাইডেন প্রশাসনের নেওয়া এই পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রের নীতিতে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে। এর মাধ্যমে এটা তুলে ধরা হয়েছে যে, দরিদ্র শিশুদের জন্য সমাজের সব স্তরের মানুষের বিনিয়োগ করার এক ধরনের দায় রয়েছে। আর এর মাধ্যমে যে ফল পাওয়া যাবে তা বোঝার জন্য বাংলাদেশের উদাহরণ টেনেছেন নিকোলাস ক্রিস্টফ। কোন রাখঢাক না রেখে তিনি স্পষ্টতঃ বাংলাদেশকে 'মডেল' তুলে ধরেছেন।
নিকোলাস ক্রিস্টফ বলেছেন, ৫০ বছর আগে এই মার্চেই গণহত্যা, বিবাদ আর অনাহারের মধ্য দিয়ে জন্ম হয়েছিল বাংলাদেশের, যে দেশটিকে হেনরি কিসিঞ্জার তলাবিহীন ঝুড়ি হিসেবে আখ্যায়িত করেছিলেন। ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশের দুর্ভিক্ষের ছবিগুলো দেশটির হতাশাব্যঞ্জক বর্ণনা তুলে ধরেছিল বিশ্বে।
১৯৯১ সালে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ে ১ লাখের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। সেসময় খবর সংগ্রহ করতে বাংলাদেশে এসেছিলেন নিকোলাস ক্রিস্টফ। তখন নিউইয়র্ক টাইমসে এক প্রতিবেদনে তিনি লেখেন, বাংলাদেশ দুর্ভাগা একটি দেশ। তবে তার সেই হতাশা ভুল প্রমাণিত হওয়ায় যারপরনাই আনন্দ প্রকাশ করেছেন নিকোলাস ক্রিস্টফ। সদ্য প্রকাশিত নিবন্ধে তিনি লিখেছেন, শুধু জলবায়ু পরিবর্তন নয়, বাংলাদেশ অনেক চ্যালেঞ্জের মুখে থাকায় আমি তখন ঠিকই বলেছিলাম। কিন্তু আমার অনুমান ভুল প্রমাণিত করে গত তিন দশকে দেশটি অভাবনীয় অগ্রগতি অর্জন করেছে।
নিকোলাস ক্রিস্টফ লিখেছেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশ্বব্যাংকের মতে, চলমান মহামারির আগের চার বছর ধরে দেশটির অর্থনীতি প্রতি বছরে ৭ থেকে ৮ শতাংশ বেড়েছে, যা চীনের চেয়েও দ্রুততর।
বর্তমানে বাংলাদেশের গড় আয়ু ৭২ বছর। ক্রিস্টফ লিখেছেন, এটা যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকটি জায়গার চেয়ে বেশি, মিসিসিপির ১০টি কাউন্টির চেয়েও। এক সময় হতাশার প্রতিমূর্তি হয়ে উঠলেও কীভাবে উন্নতি করতে হয় তার শিক্ষা দিতে বাংলাদেশ এখন অনেক দেশের জন্যই আদর্শ। আর এই উন্নতির গোপন রহস্য হলো– শিক্ষায় নারীর অগ্রগতি।
তিনি বলেছেন, ১৯৮০-এর দশকে বাংলাদেশের এক-তৃতীয়াংশেরও কম শিশু প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গণ্ডি পেরোতে পারত না। বিশেষ করে মেয়ে শিশুদের শিক্ষার হার ছিল খুবই কম। দেশটির অর্থনীতিতে নারীদের অবদান তেমন একটা ছিল না বললেই চলে। সেসময় সরকার ও নাগরিক সংগঠনগুলো শিক্ষার জন্য সবাইকে উৎসাহিত করে, বিশেষ করে মেয়েদের। আজ বাংলাদেশের ৯৮ শতাংশ শিশু প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চৌকাঠ পেরোচ্ছে। নারী-পুরুষ বৈষম্য থাকলেও বাস্তবতা হচ্ছে–বাংলাদেশের মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এখন ছেলেদের চেয়ে মেয়েদের সংখ্যা বেশি।
বাংলাদেশ ও বিশ্বের অন্যান্য স্থানে ক্ষুদ্র ঋণের প্রবক্তা ও শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কথা উল্লেখ করে নিকোলাস ক্রিস্টফ লিখেছেন, ড. ইউনূস তাকে বলেছেন বাংলাদেশের সবচেয়ে নাটকীয় ঘটনা হচ্ছে, নারীর অবস্থান পরিবর্তন। আর এই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে দরিদ্র নারীদের জীবনমানের উন্নয়নের মধ্য দিয়ে।
নারীদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার জন্য ড. ইউনূসের প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংকের মাধ্যমে গত চার বছরে প্রায় এক লাখ নারীর কর্মসংস্থান হয়েছে। এটা তাদের যেমন স্বাবলম্বী করেছে, তেমনি দেশের উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
মেয়েদের শিক্ষা নিয়ে ক্রিস্টফ লিখেছেন, বাংলাদেশ মেয়েদের শিক্ষিত ও ক্ষমতায়িত করেছে। এখন এরাই দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হয়ে উঠেছে। রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক শিল্প নারীদের কর্মসংস্থানের বড় জায়গা সৃষ্টি করেছে। এদের কল্যাণেই বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প চীনের পর আজ বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম।
এই শিল্পের বিভিন্ন সমস্যার কথাও উল্লেখ করেছেন ক্রিস্টফ। তিনি লিখেছেন, এই শিল্পে স্বল্প মজুরি থেকে শুরু করে অগ্নিকাণ্ড, যৌন হেনস্তার মতো ঘটনা অহরহ ঘটছে। এছাড়াও রয়েছে আগুনের ঝুঁকি ও অন্যান্য নিরাপত্তা সমস্যা। ২০১৩ সালে দেশটির এক তৈরি পোশাক কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ১ হাজার ১০০ এর বেশি পোশাক শ্রমিকের প্রাণহানি হয়। কিন্তু এরপরেও এসব পোশাক শ্রমিকই আবার বলেছেন, ১৪ বছর বয়সে বিয়ে কিংবা ফসলের ক্ষেতে কাজ করার চেয়ে এ ধরনের চাকরি অনেক ভালো। দেশটির শ্রমিক ইউনিয়নগুলো এবং নাগরিক সমাজ শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করতে চাপ দিয়ে আসছে। এতে অনেকটা কাজও হয়েছে।

ক্রিস্টফ লিখেছেন, বাংলাদেশের শিক্ষিত নারীরা এখন গ্রামীণ ব্যাংক, ব্র্যাকসহ বিভিন্ন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার উচ্চপদে কাজ করছেন।শিশুদের টিকা দিচ্ছেন নারীরা। মানুষকে টয়লেট ব্যবহারে সচেতন করে তোলার কাজটিও করছেন তারা। একইসঙ্গে তারা গ্রামের নিরক্ষর মানুষকে পড়তে শিখিয়েছেন। গ্রামীণ জনগোষ্ঠীকে জন্মনিয়ন্ত্রণ-পদ্ধতি বোঝাচ্ছেন। বাল্যবিয়েকে নিরুৎসাহিত করার কাজও করছেন।
বাংলাদেশে বড় মাপের কোনো রাজনৈতিক নেতা পায়নি উল্লেখ করে তিনি লিখেছেন, তারপরও মানবসম্পদ উন্নয়নে বিনিয়োগ করে বাংলাদেশ সমাজে যে গতিধারা সৃষ্টি করেছে, আমরা সবাই সেখান থেকে শিক্ষা নিতে পারি।
বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে ‘দারিদ্র্য বিমোচনের অনুপ্রেরণার আখ্যান’ হিসেবে বর্ণনা করেছে। গত ১৫ বছরে আড়াই কোটি বাংলাদেশি দারিদ্র্যমুক্ত হয়েছেন। ১৯৯১ সাল থেকে বাংলাদেশে অপুষ্টিতে ভোগা শিশুর সংখ্যা প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে, যা এখন প্রতিবেশী দেশ ভারতের চেয়েও কম।
জনসংখ্যার অতি ঘনত্ব এই উন্নয়ন রুদ্ধ করে দেবে বলে যারা মনে করেন, তাদের উদ্দেশে ক্রিস্টফ লিখেছেন, বাংলাদেশের নারীরা এখন গড়ে দুটি সন্তান জন্ম দিচ্ছেন।
নিউ ইয়র্ক টাইমসের কলামে নিকোলাস ক্রিস্টফ স্বীকার করেছেন, অল্প কথায় বলতে গেলে, বাংলাদেশ তার সবচেয়ে অবহেলিত সম্পদ অর্থাৎ তার দরিদ্র জনগোষ্ঠীর ওপর বিনিয়োগ করেছে, মনযোগ দিয়েছে সবচেয়ে প্রান্তিক ও সবচেয়ে কম উৎপাদনশীল জনগোষ্ঠী ওপর। আর এ কারণেই এখান থেকে সবচেয়ে বেশি ফল পেয়েছে। আমেরিকার ক্ষেত্রেও এটি সত্য। আমরা আমাদের শতকোটিপতিদের আরও বেশি উৎপাদনশীলতার জন্য চাপ দিতে পারি না, কিন্তু আমরা যদি আমেরিকার প্রতি সাত শিশুর মধ্যে একজনের ঝরে পড়া আটকাতে পারি তাহলে দেশ ব্যাপকভাবে উপকৃত হবে।
ক্রিস্টফ মনে করেন, শিশু-দারিদ্র্য নির্মূলে প্রেসিডেন্ট বাইডেনের নেওয়া আগ্রাসী পদক্ষেপ হয়তো সেটা করে দেখাতে পারে। বাংলাদেশ আমাদের এটা মনে করিয়ে দিচ্ছে যে, প্রান্তিক শিশুদের ওপর বিনিয়োগ শুধু করুণ বা সমবেদনার বিষয় নয়, এটা একটা জাতিকে উন্নতির পথে এগিয়ে নিতে সাহায্য করে।
যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন শিশুদারিদ্র্য হ্রাসে যে বক্তব্য দিয়েছেন তার প্রতি সমর্থন জানিয়ে ক্রিস্টফ লিখেছেন, ফেরতযোগ্য শিশু কর ঋণ স্থায়ী করা উচিত। তার মতে, বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা থেকে আমরা এই শিক্ষা নিতে পারি যে, প্রান্তিক শিশুদের জন্য বিনিয়োগ করা নিছক সহানুভূতির ব্যাপার নয়, জাতির উন্নতিতে তার দরকার আছে।
স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীতে আমি কবি সুকান্তের কন্ঠে বলতে চাই, 'সাবাস বাংলাদেশ!… এ পৃথিবী অবাক তাকিয়ে রয়'।